আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই। t bazzi হলো লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি বেটারের আস্থার জায়গা — যেখানে নিরাপদ বেট, দ্রুত পেমেন্ট আর মাতৃভাষায় সাপোর্ট সবসময় নিশ্চিত।
t bazzi-র যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে, যখন একদল তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী উপলব্ধি করলেন যে বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, বাংলাভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্মের বড় অভাব রয়েছে। তখন থেকেই t bazzi গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা হলেও আজ t bazzi-তে ৩০টিরও বেশি ধরনের খেলায় বেট করা যায়। ফুটবল, কবাডি, টেনিস, বাস্কেটবল — প্রতিটি খেলার জন্য আলাদা মার্কেট, আলাদা বিশ্লেষণ। কিন্তু মূল যে জিনিসটা পরিবর্তন হয়নি সেটা হলো আমাদের প্রতিশ্রুতি — ব্যবহারকারীর সুবিধাই আমাদের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
আজ t bazzi-তে পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য প্রতিদিন বেট করছেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী থেকে সিলেট — দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ t bazzi-কে বিশ্বাস করেন কারণ আমরা কখনো প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করিনি।
"আমরা বিশ্বাস করি, বেটিং হওয়া উচিত মজার এবং নিরাপদ — কখনো স্ট্রেসের কারণ নয়। t bazzi সেই লক্ষ্যেই প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে।"
ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম তিন মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধিত সদস্য অর্জন এবং বিকাশে পেমেন্ট চালু।
প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ বেটিং যুক্ত হয়। লাইভ ইন-প্লে বেটিং ফিচার লঞ্চ হয় এবং ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ লঞ্চ হয়। নগদ ও রকেট পেমেন্ট যুক্ত হয়। ব্যবহারকারী সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
বাংলাদেশ কবাডি লিগ এবং লোকাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বেটিং শুরু। ২৪/৭ বাংলা কাস্টমার সাপোর্ট চালু।
পার্লে বেট, ক্যাশআউট ও ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু। t bazzi এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাংলাভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের বিশেষ সুবিধাগুলো একজন সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ বেটার — সবার জন্য প্রযোজ্য।
t bazzi-তে আপনার প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের।
জিতলে অপেক্ষা করতে হবে না। বিকাশ, নগদ বা রকেটে গড়ে ৫ মিনিটেই উইথড্রয়াল সম্পন্ন হয়। ডিপোজিটও তাৎক্ষণিক — মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্স আপডেট।
মেনু থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট — সব বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও t bazzi অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করা।
ম্যাচ চলাকালীন প্রতি সেকেন্ডে অডস আপডেট হয়। বোলিং, ব্যাটিং বা গোলের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিন — t bazzi-র লাইভ বেটিং ইন্টারফেস মোবাইলেও অসাধারণ কাজ করে।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে আমরা আছি। t bazzi-র কাস্টমার সাপোর্ট টিম সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা বাংলায় সাহায্য করতে প্রস্তুত। চ্যাট বা ফোনে সরাসরি কথা বলুন।
প্রথম ডিপোজিটে ১০০% ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, রেফারেল বোনাস এবং ভিআইপি প্রোগ্রাম — t bazzi-তে বেট করলে শুধু জয়ের টাকা নয়, বোনাসও পাবেন।
প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আমাদের কিছু অটল নীতি কাজ করে। এগুলোই t bazzi-র পরিচয়।
প্রতিটি লেনদেনে স্বচ্ছতা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
পেমেন্ট, সাপোর্ট, অডস — সবকিছুতে আমরা দ্রুততা নিশ্চিত করি।
আপনার তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব।
সুস্থ বেটিং অভ্যাস গড়ে তুলতে আমরা সদা সচেষ্ট।
নতুন ফিচার ও প্রযুক্তিতে আমরা সবসময় এগিয়ে থাকি।
বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের ইতিহাসে t bazzi একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। আমাদের প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার আগে বেশিরভাগ বাংলাদেশি বেটারকে বিদেশি সাইটে ইংরেজিতে হিসাব করে বেট করতে হতো। পেমেন্ট পদ্ধতিও ছিল জটিল। t bazzi সেই পুরো অভিজ্ঞতাটা বদলে দিয়েছে।
আমাদের দলে রয়েছেন অভিজ্ঞ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ডেটা বিশ্লেষক এবং স্পোর্টস বিশেষজ্ঞ। প্রতিটি ম্যাচের অডস নির্ধারণে আমরা বিশ্বমানের অ্যালগরিদম ব্যবহার করি। এতে ব্যবহারকারীরা সবসময় ন্যায্য এবং প্রতিযোগিতামূলক অডস পান। t bazzi-তে পেআউট রেট ৯৮%, যা বাংলাদেশের বেটিং বাজারে সর্বোচ্চ।
t bazzi-তে প্রতিদিন গড়ে ৫০,০০০-এরও বেশি বেট প্রক্রিয়া করা হয়। আমাদের সার্ভার আপটাইম ৯৯.৯% — মানে ম্যাচের সময় কখনো সাইট ডাউন হওয়ার চিন্তা নেই।
t bazzi ডিজাইন করার সময় আমরা সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছি সেই মানুষগুলোর দিকে যারা হয়তো প্রযুক্তিতে খুব পারদর্শী নন। একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে একজন ব্যবসায়ী — যে কেউ সহজেই t bazzi ব্যবহার করতে পারেন। মোবাইলের ছোট স্ক্রিনেও সব বাটন স্পষ্ট এবং সহজলভ্য।
বিকাশ পেমেন্ট যুক্ত করার সিদ্ধান্তটি ছিল আমাদের সবচেয়ে সফল পদক্ষেপগুলোর একটি। বাংলাদেশে বিকাশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে গেছে — তাই t bazzi-তে ডিপোজিট মানে নিজের পরিচিত বিকাশ অ্যাপ খুলে সহজেই টাকা পাঠানো। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লাগে না, কোনো কার্ড লাগে না।
t bazzi বিশ্বাস করে, বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম — এটি যেন কারো জীবনে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। তাই আমরা দায়িত্বশীল বেটিংয়ের ব্যাপারে সবসময় সচেতন। আমাদের প্ল্যাটফর্মে দৈনিক বেটিং সীমা নির্ধারণের সুবিধা রয়েছে। ১৮ বছরের নিচে কেউ t bazzi ব্যবহার করতে পারবেন না — এটি আমাদের কঠোর নিয়ম।
আমাদের কাস্টমার সাপোর্ট টিম শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান করে না — কেউ যদি অতিরিক্ত বেটিংয়ের সমস্যায় পড়েন, আমরা তাদের সাহায্য করার জন্যও প্রস্তুত। t bazzi-র দায়িত্বশীল খেলার পেজে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
t bazzi-র "সেলফ-এক্সক্লুশন" ফিচার ব্যবহার করে যেকোনো সময় নিজের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যায়। এটি দায়িত্বশীল বেটিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
t bazzi শুধু বর্তমানে নয়, ভবিষ্যতের দিকেও তাকিয়ে আছে। আমরা শীঘ্রই iOS অ্যাপ, আরও বেশি স্থানীয় খেলার বেটিং মার্কেট এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জন্য আরও সহজ ইন্টারফেস নিয়ে আসতে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ লক্ষ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলা।
t bazzi শুধু একটি ব্যবসা নয় — এটি বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটির একটি অংশ। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের সাথে বড় হচ্ছি, তাদের কথা শুনছি এবং প্রতিদিন আরও ভালো হওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
যোগাযোগ করুন
যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
support@tbazzi.com
একটি নিবেদিতপ্রাণ দল প্রতিদিন কাজ করছে যাতে আপনার বেটিং অভিজ্ঞতা নিরাপদ ও আনন্দময় থাকে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাহুল t bazzi-র মূল দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশল পরিচালনা করেন।
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা
নাফিসার নেতৃত্বে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিত করে।
স্পোর্টস অ্যানালিস্ট প্রধান
ক্রিকেট ও ফুটবলের গভীর বিশ্লেষক তানভীর আমাদের অডস নির্ধারণ টিমের নেতৃত্ব দেন।
কাস্টমার সাপোর্ট প্রধান
সুমাইয়ার টিম প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যবহারকারীর সমস্যা সমাধান করে হাসিমুখে।
পাঁচ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি যে প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাস করেন, সেখানে আপনার জায়গাও আছে। এখনই নিবন্ধন করুন এবং ১০০% ওয়েলকাম বোনাস পান।